Dhaka ০১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৩৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • / ১ Time View


পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ট্রেনযাত্রীদের জন্য মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী ২১ মার্চ সম্ভাব্য ঈদের দিন ধরে এই বিশেষ বিক্রয় কার্যক্রম চলবে। 

রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবারের ঈদেও ভোগান্তি কমাতে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর রেল ভবনে আয়োজিত এক বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যেখানে আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির বিস্তারিত সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে বিশেষ সময় নির্ধারণ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে কেনা যাবে। 

রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৩ মার্চ পাওয়া যাবে ১৩ মার্চের টিকিট, ৪ মার্চ বিক্রি হবে ১৪ মার্চের টিকিট এবং ৫ মার্চ মিলবে ১৫ মার্চের টিকিট। একইভাবে ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ অনলাইনে অবমুক্ত করা হবে। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এবারের ঈদযাত্রায় এক জন যাত্রী সর্বোচ্চ একটি এনআইডি ব্যবহার করে একবারই টিকিট কিনতে পারবেন এবং একটি লেনদেনে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। তবে কেনা টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ড করার সুযোগ থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে রেলওয়ে। 

যারা অনলাইন থেকে আসন পাবেন না, তাদের সুবিধার্থে যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট’ বা স্ট্যান্ডিং টিকিট সংগ্রহের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং কালোবাজারি রুখতেই টিকিটের শতভাগ অনলাইন বিক্রির এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হয়েছে। ঈদযাত্রার প্রতিটি ট্রেন যেন সময়মতো গন্তব্য ছেড়ে যায় এবং যাত্রীরা নিরাপদ ভ্রমণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো কারিগরি ত্রুটি ছাড়াই অনলাইন সার্ভার সচল রাখতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।





Source link

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

Update Time : ০৫:৩৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬


পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ট্রেনযাত্রীদের জন্য মঙ্গলবার (৩ মার্চ) থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আগামী ২১ মার্চ সম্ভাব্য ঈদের দিন ধরে এই বিশেষ বিক্রয় কার্যক্রম চলবে। 

রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এবারের ঈদেও ভোগান্তি কমাতে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর রেল ভবনে আয়োজিত এক বিশেষ প্রস্তুতিমূলক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যেখানে আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির বিস্তারিত সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে বিশেষ সময় নির্ধারণ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর টিকিট প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর টিকিট দুপুর ২টা থেকে অনলাইনে কেনা যাবে। 

রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৩ মার্চ পাওয়া যাবে ১৩ মার্চের টিকিট, ৪ মার্চ বিক্রি হবে ১৪ মার্চের টিকিট এবং ৫ মার্চ মিলবে ১৫ মার্চের টিকিট। একইভাবে ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ এবং ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ অনলাইনে অবমুক্ত করা হবে। চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তীতে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এবারের ঈদযাত্রায় এক জন যাত্রী সর্বোচ্চ একটি এনআইডি ব্যবহার করে একবারই টিকিট কিনতে পারবেন এবং একটি লেনদেনে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। তবে কেনা টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ড করার সুযোগ থাকবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে রেলওয়ে। 

যারা অনলাইন থেকে আসন পাবেন না, তাদের সুবিধার্থে যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ ‘দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট’ বা স্ট্যান্ডিং টিকিট সংগ্রহের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং কালোবাজারি রুখতেই টিকিটের শতভাগ অনলাইন বিক্রির এই প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হয়েছে। ঈদযাত্রার প্রতিটি ট্রেন যেন সময়মতো গন্তব্য ছেড়ে যায় এবং যাত্রীরা নিরাপদ ভ্রমণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো কারিগরি ত্রুটি ছাড়াই অনলাইন সার্ভার সচল রাখতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।





Source link