উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা। গতকাল সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষদিনে প্রার্থীরা দলীয় এবং স্বতন্ত্র হিসেবে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিতরা স্বতন্ত্র বা অন্য দলের হয়ে প্রায় শতাধিক আসনে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা এই নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। সারা দেশে ২ হাজার ৫৮২ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন ৩ হাজার ৪০৭ জন। কোন দল থেকে কত জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন, তা এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি।
দেখা গেছে, কোনো আসনে প্রার্থী নিজে এবং কোথাও প্রার্থীর পক্ষে প্রস্তাব-সমর্থকরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিতর্কিত বিগত তিনটি নির্বাচনের পর এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে দেখা গেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। অধিকাংশ প্রার্থী শেষ দিনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় নির্বাচন কমিশন জমা দেওয়ার সময় বাড়ায়নি। নিবন্ধন স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি বাদে নিবন্ধিত বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। অতীতের মতো এবারও জোটবদ্ধ নির্বাচন হচ্ছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে রয়েছে ডজনখানিক দল। অনুরূপভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে হয়েছে ১১ দলীয় জোট। তবে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ কিছু দল এককভাবে এবং কিছু প্রার্থী স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। ছয় কারণে ভোট করছে না ১৪ দলের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টিসহ বেশ কয়েকটি দল।
গতকাল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা মনোনয়নপত্র জমা নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটি জানায়, সব মিলিয়ে আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে প্রায় সাড়ে ৪ হাজারের মতো। এসব মনোনয়নপত্রের মধ্যে শুধু ঢাকার ২০ আসনে জমা পড়েছে ৫০০টি।
আসন্ন নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনটি সংসদীয় আসনে ভোট করছেন। এগুলো হচ্ছে—বগুড়া-৭, ফেনী-১ ও দিনাজপুর-৩। আর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এছাড়া লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমেদ, এবি পার্টির মুজিবুর রহমান ভুঁইয়া মঞ্জু ও ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, জাতীয় নাগরিক পার্টির নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টি-জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের ও দলের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচিত সাবেক সংরক্ষিত আসনের এমপি রুমিন ফারহানা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাসান মামুন, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, ডা. শহিদুল আলম, লুত্ফুর রহমান খান আজাদ প্রমুখ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তবে আলোচিত নারী নেত্রী এনসিপি থেকে পদত্যাগ করা তাসনিম জারা, কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমসহ অনেক প্রার্থীর কাগজে ত্রুটি থাকায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি। এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া অনেক প্রার্থীর তথ্যে ঘাটতি পেয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। অনেকে হলফনামায় নিজে স্বাক্ষর করেননি।
ইসির সংশ্লিষ্টরা জানান, দল মনোনীত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্বাক্ষরে সরাসরি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যায়। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য বাদে সাধারণদের অবশ্যই ঐ আসনের মোট ভোটারের ১ শতাংশ নাগরিকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। এছাড়া প্রার্থীদের জামানত ২৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা, প্রার্থী ও নির্ভরশীলদের তথ্য সংযোজন, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিবরণী ও হলফানামা প্রদান বাধ্যতামূলক।
এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের নির্ধারিত সময় আর বাড়ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল বিকেল ৫টায় মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ইসি এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় আর বাড়ছে না। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সোমবারই ছিল শেষ দিন। তপশিল অনুযায়ী, সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত সারা দেশের আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কার্যালয়গুলোতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। শেষ দিনে দেশের বিভিন্ন আসনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ করা গেছে।
গত ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তপশিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। নির্বাচনি সময়সূচি অনুযায়ী, জমা পড়া এসব মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শুরু হবে আজ ৩০ ডিসেম্বর থেকে, যা চলবে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর আপিল দায়ের, নিষ্পত্তি এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শেষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বাবর ও তার স্ত্রীর মনোনয়ন দাখিল :নেত্রকোনা-৪ আসন থেকে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর মনোনয়ন দাখিল করেছেন। একই আসন থেকে বাবরের স্ত্রী তাহমিনা বাবর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ইলিয়াস পত্নী ও ছেলের মনোনয়ন জমা :সিলেট-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা। একই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ইলিয়াস আলীর পুত্র ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াস অর্ণব।
ভোটের লড়াইয়ে বাবা-ছেলে: মৌলভীবাজার-৪ আসন থেকে বিএনপির পক্ষে মনোনয়ন নিয়ে জমা দেন মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। পরে ঐ আসন থেকে স্বতন্ত্র মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তার ছেলে ব্যবসায়ী মুঈদ আশিদ চিশতি।
বাবার আসনে ছেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী: কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। একই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তার ছেলে ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল আশিক।
ঘাটাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন বিএনপির আজাদ :ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা লুত্ফর রহমান খান আজাদ টাঙ্গাইল-৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয় মনোনয়ন জমা দেন জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হোসেন মোবারক, এনসিপির দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন সাইফুল্লাহ হায়দার।
খুলনার ছয় আসনে ৪৬টি মনোনয়নপত্র দাখিল :খুলনা অফিস জানায়, খুলনার ছয়টি আসনে উত্সাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। খুলনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার এবং খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ৪৬টি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন, খুলনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী, খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রমুখ।
রংপুর সদর-৩ আসনে জি এম কাদেরের মনোনয়নপত্র দাখিল :স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর জানায়, রংপুর-৩-এ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের পক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে।
কুমিল্লায় হাসনাতের মনোনয়ন জমা :কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, গতকাল সোমবার কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহ মনোনয়নপত্র জমা দেন।
লক্ষ্মীপুরের ৪৩ জনের মনোনয়ন জমা : লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি জানান , লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ জেলার মোট চার আসনে ৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
গাইবান্ধায় জাপা মহাসচিবের মনোনয়ন জমা : ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে গাইবান্ধা-১ ও গাইবান্ধা-৪ আসন থেকে মনোনয়ন নিয়েছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে ১৪৩ মনোনয়ন জমা :চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে মোট ১৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
কুমিল্লায় বিএনপির সাত বিদ্রোহী প্রার্থী :কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনে মোট ১১৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচটি আসনে বিএনপির সাত জন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
পটুয়াখালীতে ভিপি নূরের আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী :পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির জোটের প্রার্থী করা হয়েছে ভিপি নূরকে। তবে এ আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করবেন বিএনপি নেতা হাসান মামুন।
বরিশালে ৪৮ মনোনয়ন জমা: বরিশাল জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৪৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
সিলেটে ৪৭ মনোনয়ন জমা: সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
পিরোজপুরে ১৬ মনোনয়ন জমা: পিরোজপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ময়মনসিংহে ৯৪ প্রার্থী: ময়মনসিংহের ১১টি আসনে মোট ৯৪ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এসব আসনে বিএনপির ৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। ময়মনসিংহের নান্দাইলে বিএনপি প্রার্থী মামুন বিন আবদুল মান্নান মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
এছাড়া, ঢাকা-২ ও ৩ আসনে ১৫ জন, দিনাজপুরে ছয়টি আসনে ৪৮ জন, নরসিংদীর পাঁচটি আসনে ৪৬ জন, ফরিদপুর-৪ আসনে ১০ জন, শরীয়তপুরে তিনটি আসনে ২৪ জন, ফেনীর তিনটি আসনে ৩৫ জন, মৌলভীবাজারের চারটি আসনে ৩১ জন, কুষ্টিয়ায় চারটি আসনে ৩৪ জন, লালমনিরহাটির তিনটি আসনে ২৬ জন, সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনে ৪৯ জন, রাঙ্গামাটির আসনে ছয় জন, বান্দরবানের একটি আসনে মোট পাঁচ জন, যশোরের ছয়টি আসনে বিএনপির ১০ প্রার্থীসহ সব মিলিয়ে ৪৭ জন, মাগুরার দুইটি সংসদীয় আসনে ১৫ জন, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার ছয়টি আসনে ৭৩ জন এবং মাদারীপুরের দুইটি আসনে মোট আট জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।




















