Dhaka ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলতি অর্থবছরে ৫৩৮ কোটি ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৫৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১ Time View


চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর থেকে সাড়ে ৫ দশমিক ৩৮ বিলিয়নের (৫৩৮ কোটি) ডলার কিনেছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহকে সহায়তা দিতেই বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামে ডলার কিনছে।

রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে কিনেছে ৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। আজ ১২২ টাকা ৩০ পয়সা কাটঅফ রেটে ৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের থেকে ১২৩ মিলিয়ন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে, চলতি ফেব্রুয়ারিতে কেনা হলো মোট ১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।”

মূলত ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে ডলার সরবরাহ বেশি রয়েছে। এজন্য ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা টিবিএসকে বলেন, ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করতে আগ্রহী। আর বাংলাদেশ ব্যাংক কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়াচ্ছে।



বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামে ডলার কেনার মাধ্যমেই রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। এর নেপথ্যে কাজ করছে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের বড় প্রবৃদ্ধি।

২০২৬ সালের প্রথম মাসে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার, যা এ যাবৎকালে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এটি ২০২৫ সালের একই মাসের চেয়ে ৪৫ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। আগের বছর জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ডলার।



এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রবাসীরা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠান ৩২৯ কোটি ডলার। আর একই বছরের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পায় দেশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, মূলত রপ্তানিকারকদের সমর্থন ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় রাখার জন্য ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের দরপতন রোধে এ কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে প্রথমবারের মতো নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলার কেনার মাধ্যমে ডলারের দরের সমপরিমাণ টাকাও ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবেশ করেছে।



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

চলতি অর্থবছরে ৫৩৮ কোটি ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Update Time : ০৮:৫৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর থেকে সাড়ে ৫ দশমিক ৩৮ বিলিয়নের (৫৩৮ কোটি) ডলার কিনেছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহকে সহায়তা দিতেই বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামে ডলার কিনছে।

রোববার ( ২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে কিনেছে ৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। আজ ১২২ টাকা ৩০ পয়সা কাটঅফ রেটে ৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের থেকে ১২৩ মিলিয়ন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে, চলতি ফেব্রুয়ারিতে কেনা হলো মোট ১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।”

মূলত ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে ডলার সরবরাহ বেশি রয়েছে। এজন্য ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা টিবিএসকে বলেন, ব্যাংকগুলো ডলার বিক্রি করতে আগ্রহী। আর বাংলাদেশ ব্যাংক কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়াচ্ছে।



বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামে ডলার কেনার মাধ্যমেই রিজার্ভের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। এর নেপথ্যে কাজ করছে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের বড় প্রবৃদ্ধি।

২০২৬ সালের প্রথম মাসে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ৩১৭ কোটি ডলার, যা এ যাবৎকালে তৃতীয় সর্বোচ্চ। এটি ২০২৫ সালের একই মাসের চেয়ে ৪৫ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। আগের বছর জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১৮ কোটি ডলার।



এর আগে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রবাসীরা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠান ৩২৯ কোটি ডলার। আর একই বছরের ডিসেম্বরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পায় দেশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেন, মূলত রপ্তানিকারকদের সমর্থন ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় রাখার জন্য ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলারের দরপতন রোধে এ কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে প্রথমবারের মতো নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলার কেনার মাধ্যমে ডলারের দরের সমপরিমাণ টাকাও ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবেশ করেছে।