প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় বাস্তবায়নাধীন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির এইচএসপি-এইচআইএস সফটওয়্যারে শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও ব্যাংক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনগুলোকে আগামী ৮ মার্চের মধ্যে এ কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। বিষয়টি অতীব জরুরি বলেও উল্লেখ করা হয়। চিঠিটি সব উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় বাস্তবায়নাধীন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির এইচএসপি-এইচআইএস সফটওয়্যারে বর্তমানে সক্রিয় সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে সব শিক্ষার্থীর বাবা-মা জীবিত থাকা সত্ত্বেও বাবা-মা ব্যতীত ‘অন্যান্য ব্যক্তিকে অভিভাবক’ হিসাবে নির্বাচন করেছে এবং তাদের নামে ‘খোলা হিসাব নম্বর’-এ উপবৃত্তির অর্থ প্রাপ্তির লক্ষ্যে এ সফটওয়্যারে এন্ট্রি দিয়েছে এমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অভিভাবক হিসেবে বাবা-মাকে নির্বাচন এবং বাবা-মা অথবা শিক্ষার্থীর নিজ নামে স্কুল ব্যাংকিং হিসাব নম্বর এন্ট্রি করে তথ্য হালনাগাদকরণ করা প্রয়োজন।
আরো জানা যায়, এর আগে যে সব শিক্ষার্থীর বাবা-মা জীবিত থাকা সত্ত্বেও তাদের এনআইড নম্বর এইচএসপি-এইচআইএস সফটওয়্যারে এন্ট্রি দেওয়া নেই শুধুমাত্র সেক্ষেত্রে বাবা-মা জীবিত থাকা সত্ত্বেও অভিভাবক হিসাবে ভাই ও বোন অথবা অন্যান্য নির্বাচন করে তাদের এনআইডি এবং জন্ম তারিখ হালনাগাদ করে পেমেন্ট তথ্যে শিক্ষার্থীর নিজ নামে ব্যাংকিং (স্কুল ব্যাংকিং) হিসাব নম্বর এন্ট্রি করতে হবে। শিক্ষার্থী ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তির নামীয় হিসাব নম্বর এইচএসপি-এইচআইএস সফটওয়্যারে এন্ট্রি করার কারণে সরকারের আর্থিক কোন ক্ষতি হলে তার দায়-দায়িত্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্কিমভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিষয়টি অনতিবিলম্বে অবহিতকরণসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বর্ণিত কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করবেন। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্যান্য ব্যক্তিকে অভিভাবক এবং হিসাবধারী হিসাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদ বা পরিবর্তন আগামী ৮ মার্চের মধ্যে এইচএসপি-এইচআইএস সফটওয়্যারে সংশোধন বা হালনাগাদ করার জন্য অনুরোধ করা করা হয়েছে।

























