Dhaka ১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ

Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৬ Time View


জমির ই-রেজিস্ট্রেশন (ডিজিটাল নিবন্ধন) চালুর বিধান রেখে ‘নিবন্ধন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। এ অধ্যাদেশ অনুযায়ী, দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা আগের ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক, সময়োপযোগী ও ডিজিটাল করতে ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন সংশোধন করে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে ই-রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিধি অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন, নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ ও নিবন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে। এজন্য সরকার প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন করবে।

সংশোধনী অনুযায়ী, ভুল ফি বা কর আদায়ে দায়ী হলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকেই বকেয়া অর্থ আদায় করা হবে। একইসঙ্গে আপিল ও আবেদনের নিষ্পত্তিতে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

আগের আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু বিক্রয় নয়, মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরীয়ত) অনুযায়ী হেবা ঘোষণা এবং হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে দানের ঘোষণাও নিবন্ধনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে ‘বিক্রেতা’ শব্দের সঙ্গে ‘অথবা দাতার’ শব্দ দুটি সংযোজন করা হয়েছে।

আইনে নতুন উপ-ধারা যুক্ত করে বলা হয়েছে, পরিদর্শন বা অন্য কোনোভাবে যদি প্রমাণ হয় যেকোনো দলিল অনিয়মিত ফি, কর, সার্ভিস চার্জ বা শুল্কে নিবন্ধিত হয়েছে, তবে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে অনাদায়ী অর্থ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকে আদায় করা হবে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো আপিল দাখিলের ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।





Source link

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ

Update Time : ০১:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬


জমির ই-রেজিস্ট্রেশন (ডিজিটাল নিবন্ধন) চালুর বিধান রেখে ‘নিবন্ধন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। এ অধ্যাদেশ অনুযায়ী, দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা আগের ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক, সময়োপযোগী ও ডিজিটাল করতে ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন সংশোধন করে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।

অধ্যাদেশে ই-রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকার অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিধি অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন, নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ ও নিবন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে। এজন্য সরকার প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন করবে।

সংশোধনী অনুযায়ী, ভুল ফি বা কর আদায়ে দায়ী হলে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকেই বকেয়া অর্থ আদায় করা হবে। একইসঙ্গে আপিল ও আবেদনের নিষ্পত্তিতে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

আগের আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু বিক্রয় নয়, মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরীয়ত) অনুযায়ী হেবা ঘোষণা এবং হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে দানের ঘোষণাও নিবন্ধনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে ‘বিক্রেতা’ শব্দের সঙ্গে ‘অথবা দাতার’ শব্দ দুটি সংযোজন করা হয়েছে।

আইনে নতুন উপ-ধারা যুক্ত করে বলা হয়েছে, পরিদর্শন বা অন্য কোনোভাবে যদি প্রমাণ হয় যেকোনো দলিল অনিয়মিত ফি, কর, সার্ভিস চার্জ বা শুল্কে নিবন্ধিত হয়েছে, তবে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে। সেক্ষেত্রে অনাদায়ী অর্থ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকে আদায় করা হবে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো আপিল দাখিলের ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।





Source link