Dhaka ০৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি: প্রেস সচিব

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৬ Time View


১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। ভোটগ্রহণের তিন দিন পরই নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। 

শফিকুল আলম বলেন, ‘সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে (দায়িত্ব) হ্যান্ডওভার হবে। এটা যদি দেখা যায় যে তিন দিনের মধ্যে এমপিরা শপথ নিয়েছে। নেওয়ার পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লিডারকে ডাকা হচ্ছে যে আপনি আসেন শপথ নেন, নতুন প্রাইম মিনিস্টার হিসাবে। তিন দিনের মধ্যে এটা হয়ে যেতে পারে। মানে ১৫ ফেব্রুয়ারিতেও হয়ে যেতে পারে, এটা ১৬ ফেব্রুয়ারিতেও হতে পারে।’

প্রেস সচিব বলেন, ‘আমার মনে হয় না এটা ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে। এই বিষয়ে আইন আইন মন্ত্রণালয় এবং আমাদের আইন উপদেষ্টা মহোদয় বলবেন।’ 

‘অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের পর ১৮০ দিন ক্ষমতা ধরে রাখবে’- এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে ব্রিফিংয়ে অভিযোগ করেন উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘যারা এই অপপ্রচারটা চালাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে অসৎ ও উদ্দেশ্যমূলক। তারা এটা নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে৷ আমরা মনে করি যে এ ধরনের বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। সরকার প্রথম থেকেই জনগণকে নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যারাই নির্বাচিত হবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন, তাদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার ভার তুলে দিয়ে সরকার তার দায়িত্ব থেকে সরে যাবে। এটা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের কোনো সুযোগ নেই।’

আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিরা সমান্তরালভাবে ১৮০ কার্যদিবস সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ১৮০ কার্যদিবসের যে বিষয়টা আলোচনায় এসেছে, সেটাও এর আগে বিভিন্ন সময়ে সরকারের যারা দায়িত্বশীল তারা পরিষ্কার করেছেন।’





Source link

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি: প্রেস সচিব

Update Time : ০৪:০০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। ভোটগ্রহণের তিন দিন পরই নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠান হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। 

শফিকুল আলম বলেন, ‘সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে (দায়িত্ব) হ্যান্ডওভার হবে। এটা যদি দেখা যায় যে তিন দিনের মধ্যে এমপিরা শপথ নিয়েছে। নেওয়ার পরে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লিডারকে ডাকা হচ্ছে যে আপনি আসেন শপথ নেন, নতুন প্রাইম মিনিস্টার হিসাবে। তিন দিনের মধ্যে এটা হয়ে যেতে পারে। মানে ১৫ ফেব্রুয়ারিতেও হয়ে যেতে পারে, এটা ১৬ ফেব্রুয়ারিতেও হতে পারে।’

প্রেস সচিব বলেন, ‘আমার মনে হয় না এটা ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে। এই বিষয়ে আইন আইন মন্ত্রণালয় এবং আমাদের আইন উপদেষ্টা মহোদয় বলবেন।’ 

‘অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের পর ১৮০ দিন ক্ষমতা ধরে রাখবে’- এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে ব্রিফিংয়ে অভিযোগ করেন উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘যারা এই অপপ্রচারটা চালাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে অসৎ ও উদ্দেশ্যমূলক। তারা এটা নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে৷ আমরা মনে করি যে এ ধরনের বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই। সরকার প্রথম থেকেই জনগণকে নিশ্চিত করেছে যে, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর যারাই নির্বাচিত হবেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবেন, তাদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার ভার তুলে দিয়ে সরকার তার দায়িত্ব থেকে সরে যাবে। এটা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের কোনো সুযোগ নেই।’

আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘নির্বাচনে নির্বাচিত এমপিরা সমান্তরালভাবে ১৮০ কার্যদিবস সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ১৮০ কার্যদিবসের যে বিষয়টা আলোচনায় এসেছে, সেটাও এর আগে বিভিন্ন সময়ে সরকারের যারা দায়িত্বশীল তারা পরিষ্কার করেছেন।’





Source link