Dhaka ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিরঙ্কুশ জয়ের পথে জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির দল

Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৪ Time View


জাপানের নিম্নকক্ষ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) বড় ধরনের বিজয়ের পথে। রোববার ভোটাভুটির পর এক বুথ-ফেরত জরিপে এই তথ্য পাওয়া যায়। জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকের জরিপে দেখা গেছে, ৪৬৫ আসনের সংসদে এলডিপি এককভাবে ২৭৪ থেকে ৩২৮টি আসন পেতে পারে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৩ আসনের অনেক বেশি।

জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে শাসক জোটের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩০২ থেকে ৩৬৬টিতে। এই ফলাফলকে নতুন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির প্রতি জনগণের আগাম সমর্থন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত অক্টোবরে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তাকাইচি আকস্মিক নির্বাচনের ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি সতর্ক করেছিলেন, জোট সরকার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।

এদিকে থাইল্যান্ডেও রোববার পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট শেষ হওয়ার পর এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল। ভোটে অংশ নিয়েছে ৫০টিরও বেশি দল। তবু দেশ জুড়ে সাংগঠনিকভাবে এবং জনপ্রিয়তার দিক থেকে কেবল তিনটি দল জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। দল তিনটি হলো—নাথাফং রুয়েংপানিয়াউতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল ‘পিপলস পার্টি’, তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের নেতৃত্বাধীন রক্ষণশীল দল ‘ভুমজাইথাই পার্টি’ ও কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার দল ‘ফিউ থাই’।

সূত্র: রয়টার্স ও দ্য গার্ডিয়ান



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

নিরঙ্কুশ জয়ের পথে জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির দল

Update Time : ০১:২৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


জাপানের নিম্নকক্ষ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) বড় ধরনের বিজয়ের পথে। রোববার ভোটাভুটির পর এক বুথ-ফেরত জরিপে এই তথ্য পাওয়া যায়। জাপানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা এনএইচকের জরিপে দেখা গেছে, ৪৬৫ আসনের সংসদে এলডিপি এককভাবে ২৭৪ থেকে ৩২৮টি আসন পেতে পারে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৩ আসনের অনেক বেশি।

জোটসঙ্গী জাপান ইনোভেশন পার্টিকে সঙ্গে নিয়ে শাসক জোটের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩০২ থেকে ৩৬৬টিতে। এই ফলাফলকে নতুন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির প্রতি জনগণের আগাম সমর্থন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত অক্টোবরে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তাকাইচি আকস্মিক নির্বাচনের ঘোষণা দেন। সে সময় তিনি সতর্ক করেছিলেন, জোট সরকার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হলে তিনি পদত্যাগ করবেন।

এদিকে থাইল্যান্ডেও রোববার পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট শেষ হওয়ার পর এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল। ভোটে অংশ নিয়েছে ৫০টিরও বেশি দল। তবু দেশ জুড়ে সাংগঠনিকভাবে এবং জনপ্রিয়তার দিক থেকে কেবল তিনটি দল জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। দল তিনটি হলো—নাথাফং রুয়েংপানিয়াউতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল ‘পিপলস পার্টি’, তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের নেতৃত্বাধীন রক্ষণশীল দল ‘ভুমজাইথাই পার্টি’ ও কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার দল ‘ফিউ থাই’।

সূত্র: রয়টার্স ও দ্য গার্ডিয়ান