Dhaka ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রার্থীর মৃত্যুতে কি নির্বাচন স্থগিত হয়? যা আছে আইনে

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:১৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৭ Time View


শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে তার মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 

জামায়াতের এই নেতার মৃত্যুতে ভোট স্থগিত হবে কি না? যদিও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার বিষয়ে বাংলাদেশের ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২’-এ সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপ-ধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত (Validly Nominated) প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।

এক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে।

আইনের মূল পয়েন্টগুলো হলো-

রিটার্নিং কর্মকর্তার ভূমিকা- প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন।

নতুন তফসিল- সংশ্লিষ্ট আসনে নতুন করে নির্বাচনের জন্য পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হবে।

অপরিবর্তিত প্রার্থী- যারা আগে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ছিল, তাদের নতুন করে ফরম জমা বা জামানত দিতে হবে না। শুধুমাত্র নতুন প্রার্থীরা ওই আসনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল (ধানের শীষ), জামায়াত মনোনীত প্রয়াত মাওলানা নুরুজ্জামান বাদল (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন (হাতপাখা), বাসদ (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান (কাঁচি) এবং বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা (মোটরসাইকেল)।





Source link

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

প্রার্থীর মৃত্যুতে কি নির্বাচন স্থগিত হয়? যা আছে আইনে

Update Time : ০৬:১৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে তার মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 

জামায়াতের এই নেতার মৃত্যুতে ভোট স্থগিত হবে কি না? যদিও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার বিষয়ে বাংলাদেশের ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২’-এ সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপ-ধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোটগ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত (Validly Nominated) প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে।

এক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে।

আইনের মূল পয়েন্টগুলো হলো-

রিটার্নিং কর্মকর্তার ভূমিকা- প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন।

নতুন তফসিল- সংশ্লিষ্ট আসনে নতুন করে নির্বাচনের জন্য পুনরায় তফসিল ঘোষণা করা হবে।

অপরিবর্তিত প্রার্থী- যারা আগে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এবং যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ছিল, তাদের নতুন করে ফরম জমা বা জামানত দিতে হবে না। শুধুমাত্র নতুন প্রার্থীরা ওই আসনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল (ধানের শীষ), জামায়াত মনোনীত প্রয়াত মাওলানা নুরুজ্জামান বাদল (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন (হাতপাখা), বাসদ (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান (কাঁচি) এবং বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা (মোটরসাইকেল)।





Source link