Dhaka ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব না দিলে ৭ বছরের জেল

Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৮ Time View


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে হিসাব দাখিল না করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) একটি পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ (১) অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী এজেন্টকে ফরম-২২ অনুযায়ী এফিডেভিটসহ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করতে হবে। যেসব প্রার্থী নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তাদের ক্ষেত্রে প্রার্থী নিজেই নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবেন।

নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর ৩১ বিধি অনুসারে ব্যয়ের হিসাবের সঙ্গে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাও জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনুযায়ী ফরম-২২ক, ২২খ ও ২২গ ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে।

পরিপত্রে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বিজয়ী ও পরাজিত—সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকেই নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এমনকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থী এবং যেসব প্রার্থীর নির্বাচনে কোনো ব্যয় হয়নি, তাদেরও নির্ধারিত ফরমে তা উল্লেখ করে হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন যথাযথভাবে দাখিল না করলে বা এ সংক্রান্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ওই অপরাধে দোষী হলে ন্যূনতম দুই বছর ও সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন। নির্বাচনের বিরুদ্ধে মামলা না থাকলে অপরাধ সংঘটনের ছয় মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে। আর হাইকোর্ট বিভাগে নির্বাচনসংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন থাকলে আদালতের আদেশের তিন মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না।

এ ছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৪৪ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনী ব্যয়ের সম্ভাব্য তহবিলের উৎস, ব্যয়ের রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট দলিল-দস্তাবেজ রিটার্নিং কর্মকর্তা এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করবেন বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।





Source link

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

ফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব না দিলে ৭ বছরের জেল

Update Time : ১০:১৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ে হিসাব দাখিল না করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) একটি পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৪৪গ (১) অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীর নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী এজেন্টকে ফরম-২২ অনুযায়ী এফিডেভিটসহ নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করতে হবে। যেসব প্রার্থী নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তাদের ক্ষেত্রে প্রার্থী নিজেই নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে বিবেচিত হবেন।

নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর ৩১ বিধি অনুসারে ব্যয়ের হিসাবের সঙ্গে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাও জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনুযায়ী ফরম-২২ক, ২২খ ও ২২গ ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল করা রিটার্ন ও এফিডেভিটের অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়েও পাঠাতে হবে।

পরিপত্রে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বিজয়ী ও পরাজিত—সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকেই নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এমনকি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থী এবং যেসব প্রার্থীর নির্বাচনে কোনো ব্যয় হয়নি, তাদেরও নির্ধারিত ফরমে তা উল্লেখ করে হিসাব জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন যথাযথভাবে দাখিল না করলে বা এ সংক্রান্ত কোনো আদেশ লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৭৪ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। ওই অপরাধে দোষী হলে ন্যূনতম দুই বছর ও সর্বোচ্চ সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন। নির্বাচনের বিরুদ্ধে মামলা না থাকলে অপরাধ সংঘটনের ছয় মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে। আর হাইকোর্ট বিভাগে নির্বাচনসংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন থাকলে আদালতের আদেশের তিন মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হবে না।

এ ছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৪৪ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনী ব্যয়ের সম্ভাব্য তহবিলের উৎস, ব্যয়ের রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট দলিল-দস্তাবেজ রিটার্নিং কর্মকর্তা এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করবেন বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।





Source link