Dhaka ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘বন্দরে ধর্মঘটের ইস্যুতে সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে’

Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৭ Time View


চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট চলতে দেওয়া যায় না উল্লেখ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এ বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং চার দফা দাবিতে বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য শুরু হয়েছে শ্রমিক ধর্মঘট। রোববার সকাল ৮টা থেকে তা শুরু হয়।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কতিপয় লোক পুরো বন্দরকে জিম্মি করার চেষ্টা করছে। আর কয়েকদিন পরে রোজা। আমরা প্রতিনিয়ত নদীতে অভিযান চালাচ্ছি। বহির্নোঙরে পড়ে আছে ছোলা, ডাল ও তেল। ১৮ কোটি মানুষকে তারা (ধর্মঘটকারীরা) জিম্মি করেছে। এটা চলতে দেওয়া যায় না। সরকার কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে, বাকিদেরও ধরা হবে।’

এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামান দাবি করেন, সেখানকার অবস্থা স্বাভাবিক। শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনি ব্যবস্থা নেবে।


বন্দর

রোববার দুপুরে বন্দর ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সকাল ১০টা থেকে কর্মকর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আমি আজ সকালে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে গিয়েছি। সবাইকে বলেছি ভোট দিতে হবে। একটি পক্ষ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। কোনো অবস্থায়ই নির্বাচন বিঘ্নিত করা যাবে না।’
 
তিনি জানান, সামনে রমজান। একটি পক্ষ সংকট তৈরি করছে। এতে বাজারে দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়তে পারে।



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

‘বন্দরে ধর্মঘটের ইস্যুতে সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে’

Update Time : ১০:২৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট চলতে দেওয়া যায় না উল্লেখ করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এ বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান।

বিদেশি কোম্পানির কাছে বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং চার দফা দাবিতে বন্দরে ফের অনির্দিষ্টকালের জন্য শুরু হয়েছে শ্রমিক ধর্মঘট। রোববার সকাল ৮টা থেকে তা শুরু হয়।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কতিপয় লোক পুরো বন্দরকে জিম্মি করার চেষ্টা করছে। আর কয়েকদিন পরে রোজা। আমরা প্রতিনিয়ত নদীতে অভিযান চালাচ্ছি। বহির্নোঙরে পড়ে আছে ছোলা, ডাল ও তেল। ১৮ কোটি মানুষকে তারা (ধর্মঘটকারীরা) জিম্মি করেছে। এটা চলতে দেওয়া যায় না। সরকার কঠোর অবস্থানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই মধ্যে কয়েকজনকে ধরা হয়েছে, বাকিদেরও ধরা হবে।’

এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামান দাবি করেন, সেখানকার অবস্থা স্বাভাবিক। শ্রমিক-কর্মচারীরা কাজে যোগ দিয়েছেন। এর মধ্যে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনি ব্যবস্থা নেবে।


বন্দর

রোববার দুপুরে বন্দর ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সকাল ১০টা থেকে কর্মকর্তা ও শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আমি আজ সকালে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকে গিয়েছি। সবাইকে বলেছি ভোট দিতে হবে। একটি পক্ষ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য বন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। কোনো অবস্থায়ই নির্বাচন বিঘ্নিত করা যাবে না।’
 
তিনি জানান, সামনে রমজান। একটি পক্ষ সংকট তৈরি করছে। এতে বাজারে দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়তে পারে।