Dhaka ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বমি করলে কী রোজা ভাঙবে?

Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১ Time View


রমজান মাসে দিনভর পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। হঠাৎ অসুস্থতা, বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে রোজাদাররা প্রায়ই দুশ্চিন্তায় পড়েন—রোজা ভেঙে গেল কি না বা কাজা করতে হবে কি না।

বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়— এ প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি শোনা যায়। ইসলামিক স্কলাররা জানিয়েছেন—রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভেঙে যায় কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর।

যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না। এ ক্ষেত্রে কাজা আদায় করতে হবে না।

তবে যদি কেউ রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এ বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন—

مَنْ ذَرَعَهُ الْقَيْءُ فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ وَمَنْ اسْتَقَاءَ فَعَلَيْهِ الْقَضَاءُ

‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

বমি করলে কী রোজা ভাঙবে?

Update Time : ০২:২৫:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


রমজান মাসে দিনভর পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। হঠাৎ অসুস্থতা, বমি, মাথা ঘোরা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে রোজাদাররা প্রায়ই দুশ্চিন্তায় পড়েন—রোজা ভেঙে গেল কি না বা কাজা করতে হবে কি না।

বিশেষ করে বমি হলে রোজা থাকে নাকি ভেঙে যায়— এ প্রশ্নটি সবচেয়ে বেশি শোনা যায়। ইসলামিক স্কলাররা জানিয়েছেন—রোজা অবস্থায় মুখ ভরে বমি হলে রোজা ভেঙে যায় কি না তা নির্ভর করে বমির উদ্দেশ্য ও নিয়ন্ত্রণের ওপর।

যদি কোনো ব্যক্তি অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, অর্থাৎ স্বেচ্ছায় নয়, তাহলে তার রোজা ভাঙবে না। এ ক্ষেত্রে কাজা আদায় করতে হবে না।

তবে যদি কেউ রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা আদায় করা আবশ্যক।

এ বিষয়টি হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন—

مَنْ ذَرَعَهُ الْقَيْءُ فَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ وَمَنْ اسْتَقَاءَ فَعَلَيْهِ الْقَضَاءُ

‘যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়ে যায়, তার রোজা ভাঙবে না; কিন্তু যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে, তার রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।’ (তিরমিজি ৭২০, ইবনে মাজাহ ১৬৭৬, মুসতাদরাকে হাকেম ১৫৫৭)