Dhaka ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে আমি কোমায় যাইনি: সাইফ হাসান 

Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৫ Time View


নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশ দলকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। বিশ্বকাপ খেলতে না পারায় ২ জন ক্রিকেটার কোমায় চলে গিয়েছিল বলে জানান বাংলাদেশ দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে এক বার্তায় সাইফ হাসান জানান বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে খেলতে না পেরে হৃদয় ভেঙেছে। নেটিজেন এবং ভক্তরা ধরেই নেয়, কোমায় চলে যাওয়া ওই দুই ক্রিকেটারের একজন সাইফ। তবে এই ব্যাটার জানালেন, কোমায় চলে যাওয়া ক্রিকেটারের তালিকায় নেই তিনি।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাইফ বলেন, ‘জানি না স্যার (মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন) কাকে নিয়ে বলেছেন। কিন্তু আমি তো না, আমি কোমায় যাইনি। যারা দলে ছিল সবাই কষ্ট পেয়েছে (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে)। এটা অস্বীকার করার কিছু নেই। আমার স্ট্যাটাসটা ছিল অদম্য কাপ খেলেছি, সেখান থেকে ভালো একটা শেপে আসতে পেরেছি। সেটা একটা স্বস্তিকর বিষয়। আমি এটাই শেয়ার করেছি।’

গতকাল কোচ সালাউদ্দিন বলেছিলেন, ‘দেখুন একটা ছেলে যখন বিশ্বকাপ খেলবে, সে তার ২৭ বছরের স্বপ্ন এখানে নিয়ে এসেছে। স্বপ্নটা আপনি এক সেকেন্ডের মধ্যে নষ্ট করে দিলেন। আমি তো জানি আমার দুই ক্রিকেটার কোমায় চলে গিয়েছিল। পাঁচ দিন ধরে কোথায় নাকি হারিয়ে গিয়েছিল। তাকে যে টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি, এটাই অনেক। আমার কোচিং ক্যারিয়ারে এটাই সবচেয়ে বড় সফলতা।’ 

এরপর শুক্রবার ওই ফেসবুক পোস্টে সাইফ লেখেন, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ মেহেরবান। আলহামদুলিল্লাহ। বিশ্বকাপ খেলতে না পারার সেই হৃদয়ভাঙা অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে আসা সহজ ছিল না—কারণ সেটাই ছিল আমার প্রথম বিশ্বকাপ, আজীবনের এক স্বপ্ন, যার পেছনে ছিল অসংখ্য পরিশ্রম ও ত্যাগ।’

সাইফ আরও লেখেন, ‘আমি নিশ্চিত, আল্লাহ আমাদের সবার জন্য আরও ভালো কিছু পরিকল্পনা করে রেখেছেন, কারণ তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ। ওই সময়টা কাটিয়ে ওঠা আমার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। তবে সেই কঠিন সময়ে যারা মানসিকভাবে আমাকে সমর্থন করেছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে আমি কোমায় যাইনি: সাইফ হাসান 

Update Time : ০২:৩২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশ দলকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। বিশ্বকাপ খেলতে না পারায় ২ জন ক্রিকেটার কোমায় চলে গিয়েছিল বলে জানান বাংলাদেশ দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। 

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে এক বার্তায় সাইফ হাসান জানান বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে খেলতে না পেরে হৃদয় ভেঙেছে। নেটিজেন এবং ভক্তরা ধরেই নেয়, কোমায় চলে যাওয়া ওই দুই ক্রিকেটারের একজন সাইফ। তবে এই ব্যাটার জানালেন, কোমায় চলে যাওয়া ক্রিকেটারের তালিকায় নেই তিনি।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাইফ বলেন, ‘জানি না স্যার (মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন) কাকে নিয়ে বলেছেন। কিন্তু আমি তো না, আমি কোমায় যাইনি। যারা দলে ছিল সবাই কষ্ট পেয়েছে (টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে)। এটা অস্বীকার করার কিছু নেই। আমার স্ট্যাটাসটা ছিল অদম্য কাপ খেলেছি, সেখান থেকে ভালো একটা শেপে আসতে পেরেছি। সেটা একটা স্বস্তিকর বিষয়। আমি এটাই শেয়ার করেছি।’

গতকাল কোচ সালাউদ্দিন বলেছিলেন, ‘দেখুন একটা ছেলে যখন বিশ্বকাপ খেলবে, সে তার ২৭ বছরের স্বপ্ন এখানে নিয়ে এসেছে। স্বপ্নটা আপনি এক সেকেন্ডের মধ্যে নষ্ট করে দিলেন। আমি তো জানি আমার দুই ক্রিকেটার কোমায় চলে গিয়েছিল। পাঁচ দিন ধরে কোথায় নাকি হারিয়ে গিয়েছিল। তাকে যে টুর্নামেন্টে মাঠে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি, এটাই অনেক। আমার কোচিং ক্যারিয়ারে এটাই সবচেয়ে বড় সফলতা।’ 

এরপর শুক্রবার ওই ফেসবুক পোস্টে সাইফ লেখেন, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ মেহেরবান। আলহামদুলিল্লাহ। বিশ্বকাপ খেলতে না পারার সেই হৃদয়ভাঙা অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে আসা সহজ ছিল না—কারণ সেটাই ছিল আমার প্রথম বিশ্বকাপ, আজীবনের এক স্বপ্ন, যার পেছনে ছিল অসংখ্য পরিশ্রম ও ত্যাগ।’

সাইফ আরও লেখেন, ‘আমি নিশ্চিত, আল্লাহ আমাদের সবার জন্য আরও ভালো কিছু পরিকল্পনা করে রেখেছেন, কারণ তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ। ওই সময়টা কাটিয়ে ওঠা আমার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। তবে সেই কঠিন সময়ে যারা মানসিকভাবে আমাকে সমর্থন করেছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’