আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কার্যক্রম আজ শেষ হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আজ রোববার মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে সারা দেশে কতগুলো মনোনয়নপত্র বৈধ এবং কতগুলো বাতিল হয়েছে তা প্রকাশ করা হবে।
এ বিষয়ে ইসির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই চলবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ কোন প্রার্থী বা কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোন সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনে আগামী ৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারি বিকাল ৫ টা পর্যন্ত আপিল দায়ের করতে পারবেন।
সেক্ষেত্রে নিম্নরূপভাবে আপিল দায়ের করতে হবে-
- মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে নির্ধারিত ফরমেটে আবেদন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিবের কাছে দাখিল করতে হবে।
- আপিল আবেদনের সঙ্গে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ উল্লেখ করতে হবে এবং আপিলের কারণ সংবলিত একটি বিবৃতি যুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি, মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল সংক্রান্ত আদেশের সত্যায়িত কপিও দাখিল করা বাধ্যতামূলক।
- আপিল আবেদনের ১টি মূলকপিসহ সর্বমোট ৭টি কপি দাখিল করতে হবে।
- আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে।
- আপিল আবেদন ৫ জানুয়ারি হতে ৯ জানুয়ারী ২০২৬ তারিখ বিকাল ৫টার মধ্যে দাখিল করতে হবে।
- আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপি প্রাপ্তির জন্য নির্ধারিত ফরম-এ আবেদন দাখিল করতে হবে। উক্ত ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ হতে সংগ্রহ করা যাবে।
- আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
আপিল নিষ্পত্তি: মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত আপিলসমূহ নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ জানুয়ারি হতে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে নিষ্পত্তি করবে।
নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুসরণ: সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি এবং সরকারী সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করতে হবে।’




















