Dhaka ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজসাক্ষী আবজালুল কাঠগড়াতে প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন, ক্ষমা করলেন ট্রাইব্যুনাল

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২ Time View


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাঠগড়ায় চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ায় ক্ষমা পেয়েছেন আশুলিয়া থানার তৎকালীন এসআই শেখ আবজালুল হক।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আটজনকে হাজির করা হয়। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে আট আসামিকেই ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসকক্ষের কাঠগড়ায় তোলা হয়। কাঠগড়ায় ওঠানোর পর থেকেই এসআই শেখ আবজালুল হককে নীরবে তসবিহ জপতে দেখা যায়। রায় ঘোষণার আগমুহূর্ত পর্যন্ত চোখ বন্ধ করে আবার কখনও মাথা নিচু রেখে প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন আবজালুল। তিনি রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার রায়ে সাবেক স্থানীয় এমপি সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড, সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ায় আবজালুল হককে ক্ষমা করা হয়েছে।

 





Source link

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

রাজসাক্ষী আবজালুল কাঠগড়াতে প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন, ক্ষমা করলেন ট্রাইব্যুনাল

Update Time : ০৮:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর কাঠগড়ায় চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ায় ক্ষমা পেয়েছেন আশুলিয়া থানার তৎকালীন এসআই শেখ আবজালুল হক।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার আটজনকে হাজির করা হয়। দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে আট আসামিকেই ট্রাইব্যুনাল-২ এর এজলাসকক্ষের কাঠগড়ায় তোলা হয়। কাঠগড়ায় ওঠানোর পর থেকেই এসআই শেখ আবজালুল হককে নীরবে তসবিহ জপতে দেখা যায়। রায় ঘোষণার আগমুহূর্ত পর্যন্ত চোখ বন্ধ করে আবার কখনও মাথা নিচু রেখে প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন আবজালুল। তিনি রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার রায়ে সাবেক স্থানীয় এমপি সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড, সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দুজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেওয়ায় আবজালুল হককে ক্ষমা করা হয়েছে।

 





Source link