Dhaka ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো দেশের রিজার্ভ, জানুয়ারিতেই এসেছে ৩১৭ কোটি

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৪ Time View


চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার। এতে ডলার সংকট কিছুটা কমেছে এবং ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম–৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান ২ ফেব্রুয়ারি এসব তথ্য জানান।

প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় ব্যাংকিং খাতে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এতে ডলারের দর কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ভারসাম্য ধরে রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার ১৬টি ব্যাংক থেকে মোট ২১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট–অফ রেট নির্ধারিত ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংক থেকে মোট ৪১৫ কোটি মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে। ডলারের দর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখছে।’ তিনি জানান, ডলারের দাম বেশি কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ডলার কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো দেশের রিজার্ভ, জানুয়ারিতেই এসেছে ৩১৭ কোটি

Update Time : ০৬:৪৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার। এতে ডলার সংকট কিছুটা কমেছে এবং ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২ ফেব্রুয়ারি দিন শেষে দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম–৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান ২ ফেব্রুয়ারি এসব তথ্য জানান।

প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় ব্যাংকিং খাতে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এতে ডলারের দর কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ভারসাম্য ধরে রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার ১৬টি ব্যাংক থেকে মোট ২১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে। মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে এ ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট–অফ রেট নির্ধারিত ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যাংক থেকে মোট ৪১৫ কোটি মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে ডলারের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি রয়েছে। ডলারের দর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখছে।’ তিনি জানান, ডলারের দাম বেশি কমে গেলে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ডলার কেনার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।