আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাঠে মূল লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে যাচ্ছে কার্যত দুটি জোট। একদিকে, বিএনপির নেতৃত্বে অপর ১২টি মিত্রদল সরাসরি আসন-সমঝোতায় গিয়ে ভোটে নামছে। সরাসরি কোনো ‘জোট’ না হলেও বিএনপির এই মিত্র বলয়ে সংখ্যার দিক থেকে রয়েছে বিএনপিসহ ২৯টি রাজনৈতিক দল। অবশিষ্ট ১৬টি দলের সঙ্গে বিএনপির আসন-সমঝোতা না হলেও ওই দলগুলোও একই বলয়ভুক্ত থেকেই ভোটের মাঠে সমর্থন যোগাচ্ছে।
অন্যদিকে, বিএনপির মিত্র বলয়ের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছে জামায়াতের নেতৃত্বে মোট ১০টি দলের জোট। জামায়াতের নেতৃত্বে গত কয়েক মাস ধরে যুগপত্ আন্দোলনে থাকা আটটি দলের সঙ্গে গতকাল রবিবার নতুন করে যুক্ত হয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের পর আত্মপ্রকাশ করা বহুল আলোচিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও কর্নেল (অব.) অলি আহমদের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত ‘জরুরি সংবাদ সম্মেলন’-এ আগের আটটি দলসহ নতুন করে এনসিপি ও এলডিপির সঙ্গে আসন-সমঝোতার কথা জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
নির্বাচনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার শেষদিনের আগেরদিন গতকাল ১০টি দলের সঙ্গে আসন-সমঝোতার কথা ঘোষণা দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘এটা দেশ গঠনের জোট। এটা নির্বাচনের জোট, এটা রাজনৈতিক জোট। এটা সকল ধরনের… মানে, ওই জোট বলেন আর সমঝোতা বলেন, যা-ই বলেন, এটা সবগুলো পারপাস কাভার করার জন্য।’
ভবিষ্যতে আন্দোলনেও এসব দল একসঙ্গে থাকবে কিনা, এ প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা আশা করছি, একসাথেই আমরা করব ইনশা আল্লাহ। দলীয় কর্মসূচি যার যার অনেকগুলো থাকবে। তারপরে ন্যাশনাল ইস্যুতে যেখানেই প্রয়োজন, আমরা একসাথে করব ইনশা আল্লাহ।’
তবে, জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ায় প্রকাশ্য গৃহবিবাদ দেখা দিয়েছে নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বাধীন এনসিপিতে। দলটির মনোনীত কয়েক প্রার্থী এরইমধ্যে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন। কেউ কেউ দল থেকে পদত্যাগ করেছেন, কেউ কেউ আপত্তি জানিয়ে দলীয় প্রধানকে চিঠি দিয়েছেন। জামায়াতের সঙ্গে জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলা মোটরে অবস্থিত দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘সংস্কারের বাস্তবায়ন ও বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি নির্বাচনি সমঝোতায় পৌঁছেছে।’ তিনি বলেন, ‘ওসমান হাদির খুনের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় বাংলাদেশে এখনও আধিপত্যবাদী শক্তি রয়েছে। ৫ আগস্ট যে স্বৈরাচারকে তাড়িয়েছি তারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। সেজন্য বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে আমরা জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতায় এসেছি।’
এদিকে, জামায়াতের আমিরের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে দলীয় প্রতিনিধি উপস্থিত থাকলেও চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গতকাল সন্ধ্যায় ছোট্ট এক বিবৃবিতে জানানো হয়, ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তিনশ আসনেই মনোনয়ন ফরম জমা দেবে। তবে আসন সমঝোতার আলোচনা চলমান। আমরা দৃঢ় আশাবাদী যে, একটি চমত্কার সমঝোতায় পৌঁছা যাবে।’
বিএনপির মিত্র বলয়ে যারা
বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতায় নির্বাচন করছে গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), ইসলামী ঐক্যজোট, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ এলডিপি ও বাংলাদেশ জাতীয় দল।
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন মুহাম্মদ রাশেদ খান। ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসন থেকে তিনি ‘ধানের শীষ’ নিয়ে নির্বাচন করবেন।
গত ২৪ ডিসেম্বর কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি বিএনপির সঙ্গ ছাড়ার ঘোষণা দেয়। তার সঙ্গে বিএনপির আসন সমঝোতা হয়নি। তার দলের মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদ ওইদিন বিএনপিতে যোগ দেন, তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে কুমিল্লা-৭ আসনে ভোট করবেন। এ আসনে তিনি আগেও সংসদ সদস্য ছিলেন। বিএনপির সরকারে প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন তিনি।
গত বুধবার জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), এনপিপি, ইসলামী ঐক্যজোট, গণ অধিকার পরিষদসহ কয়েকটি দলকে আরো ১০টি আসন ছেড়ে দেয় বিএনপি। এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বিএনপিতে যোগ দিয়ে ঢাকা-১৩ আসনে প্রার্থী হচ্ছেন। তিনি ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। নড়াইল-২ আসনটি বিএনপি এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদকে ছেড়ে দিয়েছে। এনপিপি নিবন্ধিত না হওয়ায় তিনি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। এছাড়া, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে ঢাকা-১২, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে বগুড়া-২, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন ছেড়েছে বিএনপি। তবে, তাদের প্রতেক্যের দল নিবন্ধিত এবং তারা নিজ নিজ দলীয় প্রতীকেই নির্বাচন করবেন বলে জানা গেছে।
পিরোজপুর-১ আসনটি বিএনপি জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারকে দিয়েছিল। তবে, এখানে পরিবর্তন এনে বিএনপি শনিবার দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এছাড়া, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকেও চারটি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। আসন চারটি হলো সিলেট-৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, নীলফামারী-১ ও নারায়ণগঞ্জ-৪।
বিএনপির যুগপত্ আন্দোলনের মিত্র জোট ‘১২ দলীয় জোট’-এর মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন সেলিম গত ৮ ডিসেম্বর নিজ দল ‘বাংলাদেশ এলডিপি’ বিলুপ্ত করে সরাসরি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়বেন। ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র সৈয়দ এহসানুল হুদা নিজের পিতার গড়া দল ‘জাতীয় দল’ বিলুপ্ত করে গত ২২ ডিসেম্বর সরাসরি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন জামায়াতের আমির
সংবাদ সম্মেরনে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ যখন জাতীয় জীবনের এক কঠিন বাঁকে এসে দাঁড়িয়েছে, সেসময় দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য, দুর্নীতিমুক্ত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে এতদিন আট দল কাজ করে আসছে। তার সঙ্গে আরো দুটি দল সম্পৃক্ত হয়েছে। এলডিপি ও এনসিপি। আট দল একসঙ্গে ছিল। আর দুটি দল যোগ দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির কেউ উপস্থিত না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, এনসিপির সঙ্গে কিছুক্ষণ আগে বৈঠক শেষ হয়েছে। তারা এই সংবাদ সম্মেলনে আসার সময় ও সুযোগ পাননি। এছাড়া দলীয় পরিসরে সভা করবেন। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সরাসরি আট দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা তাদের সিদ্ধান্ত দলগুলোকে জানিয়েছেন। আরেকটি সংবাদ সম্মেলন করে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন। পরে সন্ধ্যায় এনসিপি পৃথক সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে।
১০ দল মজবুত নির্বাচনি সমঝোতায় এক হয়েছে জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, দলগুলো নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সারা দেশের ৩০০ আসন (প্রার্থী) নির্ধারণ করেছে। দুটি দল একেবারে শেষ পর্যায়ে এসেছে। আরো অনেক দল আসন সমঝোতায় আগ্রহী ছিল। তবে এ মুহূর্তে এই প্রক্রিয়ায় তাদের সম্পৃক্ত করা দুরূহ হয়ে গেছে। অনেকের আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তাদের সম্পৃক্ত করা যাচ্ছে না। এজন্য তিনি দলগুলোর নেতাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন।
আসন সমঝোতার বিষয়ে জামায়াতের আমির বলেন, আমাদের আসন সমঝোতা অলমোস্ট কমপ্লিট। সামান্য একটু বিষয় যেগুলো রয়েছে, আমরা আশা করছি নমিনেশন ফাইল করার পরপরই আমরা সেটাও ইনশাআল্লাহ আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সুন্দরভাবেই সমাধান করতে পারব, আপনারা দোয়া করবেন। এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। এব্যাপারে আমরা খুবই আস্থাশীল।
জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে দেড় মাসেরও কম সময় হাতে আছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে দলগুলো অঙ্গীকারবদ্ধ। দলগুলো চায়, কোনো হেরফের না হয়ে যে তারিখ নির্ধারণ হয়েছে, সেই তারিখেই নির্বাচন হোক।
নির্বাচন আয়োজনে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, এখনো তাদের অনেক বাকি রয়ে গেছে। এখনো সব দলের জন্য সমতল মাঠ তৈরি হয়নি। এটি তৈরির দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের। তারা যেন যেকোনো ধরনের লোভ-লালসা, ভয়-ভীতি এবং কারো প্রতি কোনো ধরনের আনুকুল্যের ঊর্ধ্বে উঠে তাদের দায়িত্ব পালন করেন। জাতি তাদের কাছে সেই প্রত্যাশাই করে। এর ব্যতিক্রম জাতি মানবে না। গত তিনটি নির্বাচনে মানুষ ভোট দিতে পারেনি। আগামী নির্বাচনে কেউ ভোটের অধিকার হরণ করতে চাইলে সেটি বরদাশত করা হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক জানতে চান, সমঝোতায় আসন বিন্যাস কীভাবে হলো? জবাবে জামায়াতের আমির বলেন, ‘জানবেন। ডিটেইলসটা জানবেন। আমি বলছি, অল্প একটু আমাদের বাকি আছে। আমরা অতিসত্বর আপনাদের তা স্পষ্ট করে দেব।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখানে কোনো একক দল আসন বণ্টন করবে না। ন্যায্যতার ভিত্তিতে সবার হাতে আসন তুলে দেওয়া হবে। সবাই সবাইকে তুলে দেবে। এখানে নির্দিষ্ট কোনো দল কাউকে তুলে দিচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। এসময় তিনি বলেন, এখন আর আট দল নেই। নতুন দুই দল যুক্ত হওয়ায় এটি ১০ দলের নির্বাচনি সমঝোতা হিসেবে পরিচিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান হামিদী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, সমমনা দলগুলোর লিয়াজোঁ কমিটিতে জামায়াতের প্রতিনিধি ও দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকলেও কথা বলেননি অলি আহমদ
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমিরের পাশে বসা ছিলেন এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তবে, তিনি কোনো কথা বলেননি। এলডিপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ একজন খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ‘বীর বিক্রম’ খেতাব পান তিনি। মুক্তিযুদ্ধে সাবসেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করে আসা অলি আহমদ ১৯৮০ সালে সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দেন। বিএনপির ১৯৯১-৯৬ মেয়াদের সরকারে যোগাযোগমন্ত্রী ছিলেন তিনি। বিএনপি ছেড়ে ২০০৬ সালে এলডিপি প্রতিষ্ঠা করেন অলি আহমদ।
গত বছরের জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে জামায়াতের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)- এই ছয়টি দল আসন সমঝোতার ভিত্তিতে সব আসনে একক প্রার্থী দেওয়ার আলোচনা শুরু করে। পরে এতে যোগ দেয় বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি। জামায়াতসহ এই আট দল বিভিন্ন দাবিতে অভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে টানা অনেক দিন মাঠে ছিল।
















