ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত বকেয়া এমপিও অর্থ পরিশোধ করা হবে। সেজন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির (বুধবার) মধ্যে বকেয়া বিল সাবমিট করার নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নানের সই করা এক স্মারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সরাসরি তাদের নিজ নিজ ব্যাংক হিসাবে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
স্মারকে বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এক বা একাধিক মাসের এমপিও বেতন কিংবা উৎসব ভাতা বকেয়া রয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ইএমআইএস সিস্টেমের এমপিও-ইএফটি মডিউলে লগইন করে বিল সাবমিট অপশন থেকে বকেয়া মাসগুলোর বিল আলাদা আলাদাভাবে সাবমিট করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানের দাখিল করা তথ্যের ভিত্তিতেই শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া অর্থ ইএফটির মাধ্যমে ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ইএফটি পদ্ধতি চালুর পর ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে জুলাই ২০২৫ সময়ে তথ্যগত ত্রুটির কারণে যেসব শিক্ষক-কর্মচারী অনলাইন এমপিও আবেদনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বেতন পেয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে বিল সাবমিটের সময় ‘পেমেন্ট নেই’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। একই সঙ্গে বকেয়া পাওনার যোগ্য প্রত্যেক শিক্ষক-কর্মচারীর জন্য বিধিমোতাবেক যে এমপিও সঠিকভাবে নির্ধারণ করে আলাদা বিল সাবমিট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর মৃত্যু, পদত্যাগ, সাময়িক বরখাস্ত, অনুমোদনহীন অনুপস্থিতি, স্টপ পেমেন্ট, সনদ জালিয়াতি বা অন্য কোনো কারণে আংশিক বা সম্পূর্ণ বেতন কর্তন প্রয়োজন হলে তা বিল সাবমিট অপশনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া একইসঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও অর্থ ইএফটিতে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দেওয়া তথ্যই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
যদি ভুল তথ্যের কারণে বেতন না পৌঁছানো বা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ হয় তার দায়ভার ওই প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই নিতে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।


























