Dhaka ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের উদ্যোগ চট্টগ্রাম বন্দরের

Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৫:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৪ Time View


সাম্প্রতিক সময়ে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরের (সিপিএ) ১৫ জন কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তদন্ত শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সিপিএর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সই করা গোপনীয় ও জরুরি একটি চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত করার অভিযোগে ওই ১৫ কর্মচারীকে গত ২ ফেব্রুয়ারি মোংলা ও পায়রা বন্দরে প্রেষণে বদলি করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে তাঁদের দুবার বিভিন্ন বন্দরে বদলি করা হয়।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওই কর্মচারীদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তাঁদের সম্পদের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুদক চেয়ারম্যান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা বিভাগের (এনএসআই) মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে সিপিএ সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পাঠানো টেক্সট মেসেজেরও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

চিঠিতে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রব্বানী। তাঁরা ট্রাফিক, মেরিন, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল, পরিকল্পনা ও প্রশাসনসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারী।

এর আগে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের দুই সমন্বয়কারী—অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগের অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির এবং মেরিন বিভাগের প্রথম শ্রেণির ইঞ্জিনচালক মো. ইব্রাহিম খোকন—গতকাল বিকেলে নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর শনিবার পর্যন্ত দুই দিনের জন্য তাঁদের কর্মবিরতি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে গতকাল রাতে ইব্রাহিম খোকন গণমাধ্যমকে জানান, তিনি চিঠিটির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে শুক্রবার সকালে পরিষদের নেতারা বৈঠকে বসবেন।



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

১৫ কর্মচারীর বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তের উদ্যোগ চট্টগ্রাম বন্দরের

Update Time : ০১:১৫:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


সাম্প্রতিক সময়ে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দরের (সিপিএ) ১৫ জন কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তদন্ত শুরুর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সিপিএর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সই করা গোপনীয় ও জরুরি একটি চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও বন্দর কার্যক্রম ব্যাহত করার অভিযোগে ওই ১৫ কর্মচারীকে গত ২ ফেব্রুয়ারি মোংলা ও পায়রা বন্দরে প্রেষণে বদলি করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে তাঁদের দুবার বিভিন্ন বন্দরে বদলি করা হয়।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওই কর্মচারীদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তাঁদের সম্পদের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, দুদক চেয়ারম্যান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা বিভাগের (এনএসআই) মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে সিপিএ সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পাঠানো টেক্সট মেসেজেরও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

চিঠিতে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রব্বানী। তাঁরা ট্রাফিক, মেরিন, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেকানিক্যাল, পরিকল্পনা ও প্রশাসনসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারী।

এর আগে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের দুই সমন্বয়কারী—অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা ও পরিদর্শন বিভাগের অডিট সহকারী মো. হুমায়ুন কবির এবং মেরিন বিভাগের প্রথম শ্রেণির ইঞ্জিনচালক মো. ইব্রাহিম খোকন—গতকাল বিকেলে নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বৈঠকের পর শনিবার পর্যন্ত দুই দিনের জন্য তাঁদের কর্মবিরতি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে গতকাল রাতে ইব্রাহিম খোকন গণমাধ্যমকে জানান, তিনি চিঠিটির বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে শুক্রবার সকালে পরিষদের নেতারা বৈঠকে বসবেন।