Dhaka ০২:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবারও জেঁকে বসছে শীত, চার জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস 

Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৭ Time View


মাঘ মাসের শেষলগ্নে এসে রাজধানীসহ সারা দেশে শীতের দাপট আবারও বেড়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দেশের তাপমাত্রার পারদ প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নিচে নেমে এসেছে। 

এমন পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, রাজশাহী ও পাবনা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। 

হঠাৎ করে শীতের এই তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনে বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বিঘ্নিত হচ্ছে। নদী অববাহিকা ও গ্রামাঞ্চলে কুয়াশার আধিক্য থাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, শনি ও রোববার (৭-৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে এই দুই দিন ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কবলিত জেলাগুলোতে রাতের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে আশার কথা হলো যে, শনি ও রোববার সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং আবহাওয়া খুব একটা চরম ভাবাপন্ন হবে না।

আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অর্থাৎ সোম, মঙ্গল ও বুধবার (৯-১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় কুয়াশার দাপট প্রায় একই রকম থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, মাঘের শেষ দিকের এই শীতের অনুভূতি আরও কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে। তবে পরবর্তী ৫ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ধীরে ধীরে রাত ও দিনের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। শীতের তীব্রতা কমে আসার মাধ্যমে দেশজুড়ে ফাল্গুনের আবহ শুরু হতে পারে এবং তাপমাত্রার এই পরিবর্তনের ফলে শীতের প্রকোপ থেকে মানুষ মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে শীতল বায়ুর প্রবাহ সক্রিয় থাকায় হঠাৎ করে এই তাপমাত্রা কমেছে। বিশেষ করে হিমালয়ের নিকটবর্তী পঞ্চগড় এবং দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের প্রভাব সবসময়ই বেশি থাকে। 

শিশু ও প্রবীণদের এই আবহাওয়ায় সাবধানে থাকার এবং কুয়াশার মধ্যে চলাচলের সময় হেডলাইট ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা দিয়েছে। আপাতত বড় ধরনের কোনো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা না থাকলেও আংশিক মেঘলা আকাশের কারণে রোদের তেজ কিছুটা কম থাকতে পারে।





Source link

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

আবারও জেঁকে বসছে শীত, চার জেলায় শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস 

Update Time : ০৪:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


মাঘ মাসের শেষলগ্নে এসে রাজধানীসহ সারা দেশে শীতের দাপট আবারও বেড়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দেশের তাপমাত্রার পারদ প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নিচে নেমে এসেছে। 

এমন পরিস্থিতিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, রাজশাহী ও পাবনা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায়ও এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। 

হঠাৎ করে শীতের এই তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনে বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বিঘ্নিত হচ্ছে। নদী অববাহিকা ও গ্রামাঞ্চলে কুয়াশার আধিক্য থাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া দপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়েছে, শনি ও রোববার (৭-৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে এই দুই দিন ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কবলিত জেলাগুলোতে রাতের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে আশার কথা হলো যে, শনি ও রোববার সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং আবহাওয়া খুব একটা চরম ভাবাপন্ন হবে না।

আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অর্থাৎ সোম, মঙ্গল ও বুধবার (৯-১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকায় কুয়াশার দাপট প্রায় একই রকম থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদী আবহাওয়ার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, মাঘের শেষ দিকের এই শীতের অনুভূতি আরও কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে। তবে পরবর্তী ৫ দিনের বর্ধিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ধীরে ধীরে রাত ও দিনের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। শীতের তীব্রতা কমে আসার মাধ্যমে দেশজুড়ে ফাল্গুনের আবহ শুরু হতে পারে এবং তাপমাত্রার এই পরিবর্তনের ফলে শীতের প্রকোপ থেকে মানুষ মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে শীতল বায়ুর প্রবাহ সক্রিয় থাকায় হঠাৎ করে এই তাপমাত্রা কমেছে। বিশেষ করে হিমালয়ের নিকটবর্তী পঞ্চগড় এবং দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের প্রভাব সবসময়ই বেশি থাকে। 

শিশু ও প্রবীণদের এই আবহাওয়ায় সাবধানে থাকার এবং কুয়াশার মধ্যে চলাচলের সময় হেডলাইট ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা দিয়েছে। আপাতত বড় ধরনের কোনো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা না থাকলেও আংশিক মেঘলা আকাশের কারণে রোদের তেজ কিছুটা কম থাকতে পারে।





Source link