Dhaka ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তান থেকে রেলের বগি-ওয়াগন কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : ১০:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৫ Time View


তুলনামূলক কম দামে পাকিস্তান থেকে যাত্রীবাহী কোচ ও মালবাহী ওয়াগন কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ এবং লাহোরের মুঘলপুরাতে অবস্থিত পাকিস্তান রেলওয়ের ক্যারিজ ফ্যাক্টরি ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেছেন।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পাকিস্তান রেলওয়ের ক্যারেজ ফ্যাক্টরি এবং লাহোরের মুঘলপুরা ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেছে। সেখানে রোলিং স্টক উৎপাদন প্রক্রিয়া সরেজমিনে দেখার পাশাপাশি রেলওয়ে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত ব্রিফিং নেওয়া হয়।

লাহোরভিত্তিক পাকিস্তান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সংগঠন ও কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স সচিব এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হুসেইন খান গত শুক্রবার মুঘলপুরা ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেন।

পাকিস্তান রেলওয়ের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (ক্যারেজ ও ওয়াগন) মুহাম্মদ নাসির খলিলি প্রতিনিধিদলকে ওয়ার্কশপগুলোর সামগ্রিক কার্যক্রম, কারিগরি সক্ষমতা এবং চলমান প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় রেলওয়ের উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা তুলে ধরে একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

খলিলি বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ, যাদের মধ্যে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মিল রয়েছে। বিশেষ করে রেল খাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল মুঘলপুরা লোকোমোটিভ ওয়ার্কশপও ঘুরে দেখে। সেখানে লোকোমোটিভের রক্ষণাবেক্ষণ, পুনর্বাসন ও উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

সফর শেষে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই পরিদর্শনকে তথ্যবহুল, ফলপ্রসূ ও উৎসাহব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেন। ফরহাদুল ইসলাম বলেন, এই সফর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার একটি স্পষ্ট প্রমাণ।



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

পাকিস্তান থেকে রেলের বগি-ওয়াগন কিনতে আগ্রহী বাংলাদেশ

Update Time : ১০:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


তুলনামূলক কম দামে পাকিস্তান থেকে যাত্রীবাহী কোচ ও মালবাহী ওয়াগন কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ এবং লাহোরের মুঘলপুরাতে অবস্থিত পাকিস্তান রেলওয়ের ক্যারিজ ফ্যাক্টরি ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেছেন।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পাকিস্তান রেলওয়ের ক্যারেজ ফ্যাক্টরি এবং লাহোরের মুঘলপুরা ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেছে। সেখানে রোলিং স্টক উৎপাদন প্রক্রিয়া সরেজমিনে দেখার পাশাপাশি রেলওয়ে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত ব্রিফিং নেওয়া হয়।

লাহোরভিত্তিক পাকিস্তান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সংগঠন ও কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স সচিব এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হুসেইন খান গত শুক্রবার মুঘলপুরা ওয়ার্কশপ পরিদর্শন করেন।

পাকিস্তান রেলওয়ের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী (ক্যারেজ ও ওয়াগন) মুহাম্মদ নাসির খলিলি প্রতিনিধিদলকে ওয়ার্কশপগুলোর সামগ্রিক কার্যক্রম, কারিগরি সক্ষমতা এবং চলমান প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় রেলওয়ের উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা তুলে ধরে একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

খলিলি বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ, যাদের মধ্যে ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মিল রয়েছে। বিশেষ করে রেল খাতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিদল মুঘলপুরা লোকোমোটিভ ওয়ার্কশপও ঘুরে দেখে। সেখানে লোকোমোটিভের রক্ষণাবেক্ষণ, পুনর্বাসন ও উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।

সফর শেষে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই পরিদর্শনকে তথ্যবহুল, ফলপ্রসূ ও উৎসাহব্যঞ্জক বলে অভিহিত করেন। ফরহাদুল ইসলাম বলেন, এই সফর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হওয়ার একটি স্পষ্ট প্রমাণ।