Dhaka ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইন অমান্য করে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না: গণপূর্তমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : ১০:২০:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৪ Time View


গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, আইনের বাইরে গিয়ে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। আইন মেনেই সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের সরকারের প্রতিজ্ঞা— আমরা আইনের বাইরে গিয়ে কিছু করবো না। আইনের শাসন মেনেই চলতে হবে। 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরগুলোর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘অতীতে যা ঘটেছে, তা নতুন করে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে ভবিষ্যতে যাতে কোনো ব্যত্যয় না ঘটে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। আমার মেয়াদকালে আইন মেনে প্রকল্প বাস্তবায়নই প্রাধান্য পাবে। আইনের বাইরে গিয়ে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। আইন মেনেই সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।’

কুমিল্লা শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী। এ বিষয়ে তার ভাষ্য, যে কুমিল্লায় তিনি ছোটবেলায় বড় হয়েছিলেন, সেটা অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব ছিল। এখন আর সেটা নেই। অনেক বড় বড় অট্টালিকা হয়েছে এবং অটোরিকশার সংখ্যা বেড়েছে। তাই সিটি করপোরেশনের সঙ্গে মিলে শহরের পরিকল্পনা প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন, যাতে এ নগরটা সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায়। এ জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

সভায় কুমিল্লায় গণপূর্ত বিভাগের অধীনে নির্মাণাধীন স্থাপনা, নতুন প্রকল্প ও চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন মন্ত্রী। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে থানা ভবন নির্মাণ, কুমিল্লা কারাগারের উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হয়।

জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, অপব্যয় রোধ ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিগত সময়ে নেওয়া স্থগিত বা বন্ধ থাকা প্রকল্পগুলো প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দিয়ে পুনরায় চালু করা হবে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়ে কুমিল্লাবাসীর সঙ্গে আমার মতের মিল রয়েছে। কারাগারটি শহরের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক।’

আইন মেনেই দালান নির্মাণ করার তাগিদ দিয়ে জাকারিয়া তাহের বলেন, আগে যারা আইন অমান্য করে উঁচু দালান নির্মাণ করেছেন, সেসব ভবন এখন ভেঙে ফেলা হয়তো সমীচীন হবে না। তবে অবৈধ দালানের মালিকদের জরিমানা করা যেতে পারে। ভবিষ্যতে যেন কেউ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করতে না পারেন, সে জন্য সরকার কঠোর হবে। এ ছাড়া অপব্যয় রোধ ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিগত সময়ে নেওয়া স্থগিত বা বন্ধ থাকা প্রকল্পগুলো প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দিয়ে পুনরায় চালু করা হবে।

মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম, জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





Source link

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

আইন অমান্য করে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না: গণপূর্তমন্ত্রী

Update Time : ১০:২০:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, আইনের বাইরে গিয়ে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। আইন মেনেই সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। আমাদের সরকারের প্রতিজ্ঞা— আমরা আইনের বাইরে গিয়ে কিছু করবো না। আইনের শাসন মেনেই চলতে হবে। 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তরগুলোর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জাকারিয়া তাহের বলেন, ‘অতীতে যা ঘটেছে, তা নতুন করে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে ভবিষ্যতে যাতে কোনো ব্যত্যয় না ঘটে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। আমার মেয়াদকালে আইন মেনে প্রকল্প বাস্তবায়নই প্রাধান্য পাবে। আইনের বাইরে গিয়ে কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে পারবে না। আইন মেনেই সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।’

কুমিল্লা শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী। এ বিষয়ে তার ভাষ্য, যে কুমিল্লায় তিনি ছোটবেলায় বড় হয়েছিলেন, সেটা অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব ছিল। এখন আর সেটা নেই। অনেক বড় বড় অট্টালিকা হয়েছে এবং অটোরিকশার সংখ্যা বেড়েছে। তাই সিটি করপোরেশনের সঙ্গে মিলে শহরের পরিকল্পনা প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন, যাতে এ নগরটা সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায়। এ জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

সভায় কুমিল্লায় গণপূর্ত বিভাগের অধীনে নির্মাণাধীন স্থাপনা, নতুন প্রকল্প ও চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন মন্ত্রী। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে থানা ভবন নির্মাণ, কুমিল্লা কারাগারের উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনা হয়।

জাকারিয়া তাহের সুমন বলেন, অপব্যয় রোধ ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিগত সময়ে নেওয়া স্থগিত বা বন্ধ থাকা প্রকল্পগুলো প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দিয়ে পুনরায় চালু করা হবে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার শহরের বাইরে স্থানান্তরের বিষয়ে কুমিল্লাবাসীর সঙ্গে আমার মতের মিল রয়েছে। কারাগারটি শহরের বাইরে নির্মাণের বিষয়ে সরকার ইতিবাচক।’

আইন মেনেই দালান নির্মাণ করার তাগিদ দিয়ে জাকারিয়া তাহের বলেন, আগে যারা আইন অমান্য করে উঁচু দালান নির্মাণ করেছেন, সেসব ভবন এখন ভেঙে ফেলা হয়তো সমীচীন হবে না। তবে অবৈধ দালানের মালিকদের জরিমানা করা যেতে পারে। ভবিষ্যতে যেন কেউ আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করতে না পারেন, সে জন্য সরকার কঠোর হবে। এ ছাড়া অপব্যয় রোধ ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিগত সময়ে নেওয়া স্থগিত বা বন্ধ থাকা প্রকল্পগুলো প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার দিয়ে পুনরায় চালু করা হবে।

মতবিনিময় সভায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শাহ আলম, জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





Source link