Dhaka ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গণভোটকে অস্বীকার করা মানে জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার: রফিকুল ইসলাম খান

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৪ Time View


গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা- এমন দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উল্লাপাড়া পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড় ও শহীদ মিনার এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ লোক ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। সুতরাং এই গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা। জুলাই আন্দোলনকে যারা অস্বীকার করবে, এক সেন্সে এটা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।’

জুলাই আন্দোলনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমি আজকে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এই যে আজকে আমি উল্লাপাড়া মডেল থানার সামনে মিডিয়ায় কথা বলতেছি। জুলাই বিপ্লব না হলে আমি এই জায়গায় আসতে পারতাম না। গত ১৬-১৭ বছর আমাকে উল্লাপাড়া আসতে দেওয়া হয় নাই। সংসদ সদস্য হওয়া তো দূরের কথা। এখন যারা সরকারে আছেন, তারাও আমাদের সাথে আন্দোলনে ছিলেন। জুলাই বিপ্লবে কতটুকু ভূমিকা রাখছে আমি তা বলতে চাই না। তবে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তারা সব সময় ছিলেন। তারা হঠাৎ করে জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করে। আমি এ কথা শুনেছি মিডিয়ায় এই সরকারের কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলছেন, গণভোট বলতে কিছু নেই।  আরে অবাক কাণ্ড। গণভোট বলতে কিছু নেই! তাহলে, আপনি স্বাক্ষর করলেন কেন? আপনার দল তো স্বাক্ষর করেছে। তাহলে আজকে আবার এটি বলতেছেন কেন।

নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যে বলেন, তাদের ঘাড় বা গোড়া কোন জায়গায়? এটি তো জাতি জানে। কাজেই অনেকেই মনে করছে এই বর্তমান সরকার অন্য কোনো জায়গার ইশারায় এই বাংলাদেশকে জুলাই পূর্ববর্তী অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে কিনা? 

তিনি আরও বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই- জুলাই হলো বাংলাদেশের মানুষের চেতনার সাথে রিলেটেড। এই জুলাই বিপ্লবের জন্য প্রায় দুই হাজার লোক জীবন দিয়েছে। প্রায় ৭০ হাজার নারী এবং পুরুষ আহত, পঙ্গু, বাড়িঘর ছাড়া হয়েছেন। এই জুলাই বিপ্লব নিয়ে কেউ যদি তামাশা করে তাহলে তাদেরও পরিণতি আগের যারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত, তাদের মতোই হবে। 



Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information
.design-developed a { text-decoration: none; color: #000000; font-weight: 700;

গণভোটকে অস্বীকার করা মানে জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার: রফিকুল ইসলাম খান

Update Time : ০৫:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬


গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা- এমন দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উল্লাপাড়া পৌর এলাকার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, থানা মোড় ও শহীদ মিনার এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ লোক ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। সুতরাং এই গণভোটকে অস্বীকার করা মানে হলো জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার করা। জুলাই আন্দোলনকে যারা অস্বীকার করবে, এক সেন্সে এটা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।’

জুলাই আন্দোলনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, আমি আজকে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এই যে আজকে আমি উল্লাপাড়া মডেল থানার সামনে মিডিয়ায় কথা বলতেছি। জুলাই বিপ্লব না হলে আমি এই জায়গায় আসতে পারতাম না। গত ১৬-১৭ বছর আমাকে উল্লাপাড়া আসতে দেওয়া হয় নাই। সংসদ সদস্য হওয়া তো দূরের কথা। এখন যারা সরকারে আছেন, তারাও আমাদের সাথে আন্দোলনে ছিলেন। জুলাই বিপ্লবে কতটুকু ভূমিকা রাখছে আমি তা বলতে চাই না। তবে বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তারা সব সময় ছিলেন। তারা হঠাৎ করে জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করে। আমি এ কথা শুনেছি মিডিয়ায় এই সরকারের কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলছেন, গণভোট বলতে কিছু নেই।  আরে অবাক কাণ্ড। গণভোট বলতে কিছু নেই! তাহলে, আপনি স্বাক্ষর করলেন কেন? আপনার দল তো স্বাক্ষর করেছে। তাহলে আজকে আবার এটি বলতেছেন কেন।

নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্যে বলেন, তাদের ঘাড় বা গোড়া কোন জায়গায়? এটি তো জাতি জানে। কাজেই অনেকেই মনে করছে এই বর্তমান সরকার অন্য কোনো জায়গার ইশারায় এই বাংলাদেশকে জুলাই পূর্ববর্তী অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে কিনা? 

তিনি আরও বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই- জুলাই হলো বাংলাদেশের মানুষের চেতনার সাথে রিলেটেড। এই জুলাই বিপ্লবের জন্য প্রায় দুই হাজার লোক জীবন দিয়েছে। প্রায় ৭০ হাজার নারী এবং পুরুষ আহত, পঙ্গু, বাড়িঘর ছাড়া হয়েছেন। এই জুলাই বিপ্লব নিয়ে কেউ যদি তামাশা করে তাহলে তাদেরও পরিণতি আগের যারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত, তাদের মতোই হবে।